৩০ জুন পর্যন্ত সড়ক আইনের কয়েকটি ধারা ‘কনসিডার’ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২০ সালের জুন পর্যন্ত সড়ক আইনের কয়েকটি ধারা কনসিডার করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সড়ক আইন মানার সংস্কৃতি চালু করা এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

ধানমণ্ডির নিজ বাসভবনে শনিবার রাতে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাজাহান খানের নেতৃত্বে সারা দেশের অন্তত ৩০ শ্রমিক নেতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বৈঠকে পুলিশ ও বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন সড়ক আইনের কিছু কিছু অংশ আরও স্পষ্ট করা দরকার। সেসব জায়গায় আমরা কনসিডার করতে বলেছি।

সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ৯টি ধারার কিছু কিছু বিষয় আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কনসিডার করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কাছে বলা হয়েছে- যাতে এসব বিষয় তারা কেয়ারফুলি হ্যান্ডেল করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ফেডারেশন ও স্টেকহোল্ডাররা আমাদের কাছে যে দাবি করেছেন, যেমন– ফিটনেস, লাইসেন্স বা আরও দু-একটি দাবি যৌক্তিক। সে জন্য ৩০ জুন পর্যন্ত এসব জায়গায় আমরা অ্যাকশনে যাব না। ৯টি ধারার মধ্যে কিছু আংশিক বিষয়ে শিথিলতা থাকবে।

পুলিশের কাছে বলা হয়েছে, যাতে তারা কেয়ারফুলি এসব বিষয় হ্যান্ডেল করেন। তবে কেউ যদি সড়কের মাঝখানে গাড়ি পার্কিং করে যানজটের সৃষ্টি করেন, তা হলে তাকে তো কনসিডার করা হবে না।’ চালকদের লাইসেন্স বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা যেভাবে, যে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন, তারা সেভাবেই চালিয়ে যাবেন।

তবে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে তারা লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেবেন। বিআরটিএর চেয়ারম্যান এবং সড়ক পরিবহনমন্ত্রী এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন।’ তবে ভুয়া লাইসেন্সধারীদের ছাড় দেয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।