২য় টি-টুয়েন্টিতে ৬ ব্যাটসম্যান ২ অলরাউন্ডার ও ৩ বোলার নিয়ে বাংলাদেশের একাদশ প্রকাশ

দলে নেই সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মতো দুই বিশ্বতারকা। প্রতিপক্ষ নিজেদের ঘরের মাঠে দুর্দান্ত খেলতে থাকা ভারতীয় ক্রিকেট দল। তার ওপরে ম্যাচটি আবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। ফলে উপলক্ষ্যটাও অনেক বড়। তবে প্রতিকুলতা যতোই থাকুক, উপলক্ষ্যটা বৃথা যেতে

দেননি বাংলাদেশ দলের নির্ভরতার প্রতীক মুশফিকুর রহীম। দুই অনুজ নাইম শেখ ও সৌম্য সরকারের যথাযথ সাপোর্টের পর প্রায় একা হাতেই দলকে পৌঁছে দিয়েছেন জয়ের বন্দরে। মুশফিকের খেলা ৪৩ বলে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করেই ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। যা কি না টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম জয়। স্বাভাবিকভাবেই এ জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরষ্কার উঠেছে মুশফিকের হাতেই।

ম্যাচ শেষে নিজের পুরষ্কার গ্রহণ করতে এসে তিনি জানিয়েছেন, এ জয়টি ব্যক্তিগতভাবে তার নিজের কাছে অনেক বড় কিছু। ভারতকে তাদেরই মাটিতে হারানোর তৃপ্তি ও আনন্দের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা নেই বলে মন্তব্য করেন মুশফিক। তিনি বলেন, আমরা যখন ভারতের মতো একটা দলের বিপক্ষে, এত দর্শকের

সামনে খেলছি; তখন এই ইনিংসের চেয়ে সেরা কিছু হতে পারে না। ভারতকে ভারতের মাটিতে হারানোর তুলনা আর কিছুই হতে পারে না। তাই এ জয় আমার কাছে অনেক কিছু। বাংলাদেশের ইনিংসের মাঝপথে এক পর্যায়ে টুঁটি চেপে ধরেছিলেন ভারতের দুই স্পিনার ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল ও ক্রুলান পান্ডিয়া। তবে তখন

মেজাজ না হারিয়ে, ধীরে সুস্থে খেলেই ৬০ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও সৌম্য। যা পরে প্রমাণিত হয় ম্যাচজয়ী জুটি হিসেবে। এ জুটির রসায়নটা কী ছিলো? জানতে চাওয়া হলে মুশফিকের জবাব, আমি আর সৌম্য বারবার কথা বলছিলাম। দুজন মিলেই ঠিক করেছিলাম যত বেশিক্ষণ উইকেটে থাকা যায়। আর যদি

কোনো এক পেসারের ওভারে ১৫-২০ রান পেয়ে যাই তাহলে কাজ সহজ হয়ে যাবে। কারণ স্পিনাররা পিচ থেকে অনেক সহায়তা পাচ্ছিলো। যে কারণে ওদের মারা যাচ্ছিলো না। এ সময় তরুণ অভিষিক্ত ওপেনার নাইম শেখের কথাও মনে করিয়ে দেন অভিজ্ঞ মুশফিক, শুরুতে নাইম শেখও দুর্দান্ত খেলেছে। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে যতোটা সম্ভব জড়িয়ে রাখা যায় ম্যাচে। বাংলাদেশের হয়ে প্রতিটা ম্যাচেই এমন খেলার চেষ্টা থাকবে আমার।

দ্বিতীয় টি২০ তে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশঃ লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলাম।