নতুন ইতিহাস লিখতে টাইগাররা মাঠে নামছে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের আজ চতুর্থ ম্যাচ। সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগার বাহিনী। এরইমধ্যে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের মধ্যে দুইটিতে জিতে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। আর একটিতে নিউজিল্যান্ড। ঘরের মাঠে অল্প রানের লজ্জাটাকে পুঁজি বানিয়ে মাহমুদউল্লাহদের চোখ যেমন শিরোপায় তেমনি সিরিজে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কিউইরা।

অবশ্য জয়-পরাজয়ের সমীকরণটা যাইহোক চোখ রাখতে হবে ম্যাচের শেষ অবদি। বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড।

এর আগে প্রথম ম্যাচটা দাপটের সাথে জেতার পর দ্বিতীয় ম্যাচেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলো মাহমুদউল্লাহরা। প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের পর পিচের ভাবগতিক বুঝে নিজেদের শুধরে নেয়ার আভাস দিয়েছিলেন টম লাথাম। কথা রেখেছেন তিনি। অনভিজ্ঞ দলটাকে নিয়ে উন্নতির ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ম্যাচেই টাইগারদের কুপোকাত করেছে টম লাথাম এন্ড কোং। স্পিনিং উইকেটে টাইগার ব্যাটিং ডিপার্টমেন্টকে তৃতীয় ম্যাচে দাঁড়াতেই দেয়নি ব্ল্যাক ক্যাপসদের বোলাররা।

মিরপুরের লো-স্কোরিং পিচে হেরে যাওয়া ম্যাচে বোলাররা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাকমত পালন করলেও টাইগারদের ম্যাচ পরাজয়ের মূল কারণ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা। টানা সিরিজ জয়ের কারণে কিছুটা আত্মতুষ্টি হয়তোবা ভর করে থাকতে পারে বাংলাদেশ দলের ওপর। না হলে, এমন স্বপ্নযাত্রায় হোঁচট খাওয়ার কথা নয়।

ঘরের মাঠের পরিচিত কন্ডিশনে নিজেদের সেরা খেলাটা দিতে পারলে কিউইদের বিপক্ষে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের কাজটা আজকেই সেরে ফেলবে টাইগাররা। আবার প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতার পর নিউজিল্যান্ড দল যেভাবে নিজেদের খেলায় উন্নতি ঘটিয়েছে, তাতে সিরিজে সমতায় ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশের টপ অর্ডারে লিটন-নাইম-সাকিব মিডল অর্ডারে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ-আফিফ, শেষদিকে সোহানের ওপর ভরসা রাখা যেতেই পারে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিতে হলে এদের অন্তত তিনজনের ব্যাট থেকে বড় ইনিংস আসতে হবে।

আর এই বিষয়টা বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট যেমন জানে, ঠিক তেমনি জানে ব্ল্যাক ক্যাপসরাও। কাজেই সিরিজে টিকে থাকতে সফরকারীরাও যে মরিয়া লড়াই চালাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।