যদি আমাকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় বিসিবির পদ ছেড়ে দেব: সুজন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকদের একজন হয়ে দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছেন, তাকে যদি দলের দীর্ঘমেয়াদি কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তিনি বিসিবি’র পদ থেকে পদত্যাগ করবেন।

লংকান কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে ২০১৭ সালে দলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। তখন খালেদ মাহমুদ সুজন দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। মূলত তিনি টেকটিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন। তবে জিম্বাবুয়ে-শ্রীলংকাকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজে দল সামলাতে হয় তাকে।

ওই সিরিজে বাংলাদেশ ফাইনালে শ্রীলংকার কাছে হারে। এছাড়া টি-২০ এবং টেস্ট সিরিজে খারাপ করে বাংলাদেশ। সমালোচনা সহ্য করতে হয় সুজনকে। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর আবার কোচ শূন্য বাংলাদেশ দল। প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। শ্রীলংকা সফরের আগে তাই কোচ না পেলে অন্তবর্তীকালীন কোচ দিয়ে কাজ চালাতে হবে। তবে খালেদ মাহমুদ সুজন স্বল্প সময়ের জন্য কোচ হতে চান না।

তিনি ক্রিকবাজকে বলেন, বিসিবি যদি আমাকে লম্বা সময়ের জন্য প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয়। তবে আমি বিসিবি’র পরিচালকের পদ ছেড়ে দিতে রাজী আছি। তাতে করে একাধিত পদে থাকার স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকবে না। গতবার যখন দায়িত্ব নেয় তখন অনেক কথা হয়েছে। কারণ আমি বোর্ডের একজন পরিচালক। তাই আমাকে কোচের দায়িত্ব দিলে সমালোচনা এড়াতে একটা দায়িত্ব ছেড়ে দেব। তবে আমি বোর্ডের একজন হয়ে চাকরি করি। বোর্ডের সিদ্ধান্ত প্রণেতা নই আমি।

শনিবার তামিম এবং মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে একটি ব্যাটিং সেশন পার করেন সুজন। এরপর বলেন, প্রধান কোচ হলে তখনও আমি বোর্ডের চাকরি করবো। তাতে করে বোর্ড আমার থেকে জবাবদিহিতা নিতে পারবে।

এখনও বোর্ডের চাকরি করছি। কিন্তু দুটি কাজ একসঙ্গে করলে সমস্যা দেখা দেবে। কোচিং আমার প্যাশন। সে জন্য আমি দীর্ঘমেয়াদি একটি চাকরি ছাড়তে রাজী আছি। দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলতে কত সময় বোঝাচ্ছেন এমন প্রশ্নে খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। অন্ততপক্ষে ২০২০ টি-২০ বিশ্বকাপ। কারণ কোচ হিসেবে দলগুছিয়ে নিতে তার সময় লাগবে।