পৃথিবী সম্পর্কে এমন অদ্ভুত কিছু তথ্য আপনাকে হতবুদ্ধ করে দেবে

কেন মেয়ে হরিন মানুষশিশুর কান্না শুনলে সাড়া দেয়? কেন আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই কোথায় যাচ্ছিলাম কিংবা ভুলে যাই কি করছিলাম? কেন ফারাও ২য় রামিসীসের একটা পাসপোর্ট দরকার? রানী ভিক্টোরিয়ার অন্তর্বাস কে চুরি করতো? অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলো শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এদের জবাবগুলো সত্যিই অসাধারণ!

আজ আমরা আপনাদের কিছু দারুণ দারুণ তথ্য জানাবো যেগুলো জানার পরে আপনিও বলে উঠবেন এমন মজার তথ্য আমি কখনও শুনিনি!

আপনি জীবিত কিংবা মৃত যাই হোন না কেন, ফ্রান্সের সীমান্ত পেরুতে আপনার পাসপোর্ট লাগবে!

এ কারণেই মিশর সরকারকে ফারাও ২য় রামিসীসের পাসপোর্ট বানাতে হয় যাতে করে তারা রামেসীসের শরীর ফ্রান্সে সংরক্ষণ করতে নিয়ে আসতে পারে। মজার কথা হলো ফ্রান্সে সেই শরীর আসার পরে ফ্রান্স সরকার পুর্ণ সম্মানের সাথে তাকে বরণ করে নেয়!

একসময় বাকিংহাম প্রাসাদে এক বালক খুঁজে পাওয়া যায়, যে কিনা প্রাসাদে বাস করতো এবং রানীর অন্তর্বাস চুরি করতো!

১৮৩৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর, বাকিংহাম প্রাসাদের একজন নৈশপ্রহরী একটা নির্জন কক্ষ থেকে আবিষ্কার করেন ময়লা কাপড় পরা এক বালককে। সে দুটি প্যান্ট পরিহিত ছিল এবং প্যান্টের পকেট ভর্তি ছিল রানী ভিক্টোরিয়ার অন্তর্বাস।

পরে জানা যায় সে প্রাসাদের নানা স্থানে লুকিয়ে লুকিয়ে ছিল, কখনও চিমনির মধ্যে, কখনও আসবাবের নিচে, এবং রাতের বেলা সে প্রাসাদে হেঁটে বেড়াতো। যখন তার খুদা লাগতো সে রান্নাঘর থেকে খাবার নিয়ে খেতো, এমনকি মাঝে মাঝে লন্ড্রিতে নিজের কাপড়ও ধুইয়েছে! সে একবছর এভাবে প্রাসাদে বাস করতে সক্ষম হয়েছিল!

একেকজনের নাভি একেকভাবে অনন্য!

একজন ব্যক্তির নাভির মাঝে ২৪০০ ভিন্ন ভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতি বাস করে এবং যার অর্ধেকের বেশি বিজ্ঞানের কাছে নতুন বিষয়। এই ব্যাকটেরিয়ার সংমিশ্রণ আমাদের নাভিকে করে তুলেছে অনন্য। বিজ্ঞানীরা একবার আবিষ্কার করেন যে ব্যাকটেরিয়া কেবল জাপানের মাটিতে পাওয়া যায়, জাপান কখনও ভ্রমণ করেনি এবং জাপানের সাথে কোন সম্পর্ক নাই সেই মানুষের নাভিতে সেই ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব তারা খুঁজে পান!

মানবশিশুর কান্না শুনলে মেয়ে হরিন দৌড়ে আসে কেন?

এর কারণ হলো মানবশিশুর কান্নার শব্দের কম্পাংক সীমা বাচ্চা হরিণের কম্পাংক সীমার মধ্যেই থাকে। এমন ঘটনা অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যেই দেখা যায়, মানুষের মধ্যেও। যখনই আমরা কোন সদ্যজাত শিশুর কান্নার শব্দ শুনি হোক সেটা বেড়ালের কিংবা কুকুরের, আমাদের মগজ সক্রিয় হয়ে উঠে এবং সেটাকে সাহায্যের জন্য ছুটে যেতে চায়!

মজার কথা হলো এ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন অথবা পুলিশের গাড়ি একই কম্পাংক সীমায় বাজে যা মানুষের মধ্যে তৎপরতার সৃষ্টি করে যেন সেই মানুষগুলোর কাজে বাধা না পায়।