ছেলের কাছে মেয়ে পাঠাতেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার! (ভিডিও)

পুত্রবধূকে দূরে সরাতে রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ছেলের কাছে অপর এক মেয়েকে পাঠিয়েছিলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ। বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন অ’ভিযোগ করেন পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা।

এদিকে, দিলদারের বি’রুদ্ধে পুত্রবধূ পিয়াসার করা নি’র্যাতন মা’মলা অধিকতর ত’দন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০১৫ সালে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাতের সঙ্গে বিয়ে হয় পিয়াসার। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর দিলদার তার ওপর নি’র্যাতন করে আসছেন বলে অ’ভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে আদালতে মা’মলাও করেন পিয়াসা। ওই মামলা ত’দন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইকে দায়িত্ব দেয় আদালত। সাক্ষীদের সাথে কোন কথা না বলেই পিবিআই ত’দন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে অ’ভিযোগ করেন পিয়াসা।

তিনি বলেন, গর্ভের সন্তান ন’ষ্ট ও নারী নি’র্যাতনের অ’ভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদসহ দুজনের বি’রুদ্ধে মামলা করি। আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ত’দন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

কিন্তু মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান আমার কাছে অ’বৈধভাবে টাকা দাবি করেন। আমি তার দাবি না মানায় তিনি আমার শ্বশুরের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। আমি এ প্রতিবেদনের বি’রুদ্ধে আদালতে নারাজি দিয়েছি।

পিয়াসার দাবি, তার কাছ থেকে দূরে রাখতেই সাফাতের কাছে অন্য মেয়েদের পাঠাতো তার বাবা। আর এনিয়ে বনানীর রেইনট্রি হোটেলের ধ’র্ষণ মা’মলা থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে তার বাবার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে সাফাত।

মা’মলার বাদী পিয়াসা বলেন, আমার শ্বশুর দিলদার জঘন্য একজন মানুষ। তিনি আমাদের সংসার ভালোভাবে চলতে দিচ্ছেন না। সাফাতকে না’রী দিয়ে তিনি ফাঁ’সিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া আমার ওপর নি’র্যাতন চালিয়েছেন। তা ভিডিওর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য আদালতে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানান পিয়াসার আইনজীবী নজরুল ইসলাম। পিয়াসার করা মামলার আরেক আ’সামি হলেন আপন রিয়েল এস্টেটের পরামর্শক মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান। গত ১৭ জুলাই পিবিআই এ ঘটনার অ’ভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।dbcnews