ইয়াবা সেবনে স্বর্ণার মৃ’ত্যু ভিন্ন খাতে নিতে কোটি টাকার মিশন

অ’তিরিক্ত ইয়াবা সেবনে মৃ’ত্যুবরণকারী ঢাকার মেধাবী ছাত্রী স্বর্ণা রশিদ পর্যটন শহরে বেড়াতে এসে যে হোটেলটিতে উঠেছিলেন, সেটি শীর্ষ ইয়াবা গডফাদার শাহ’জাহান আনছারীর হোটেল। হোটেল মালিক শাহ’জাহান আনছারী গত ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফে

একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে আত্মসম’র্পণ করেন। ওইদিন আ’লোচিত শাহ’জাহান আনছারীর সঙ্গে আরও ১০২ জন প্রসিদ্ধ ইয়াবা কারবারি ওই অনুষ্ঠানে আত্মসম’র্পণ করেছে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। ওই হোটেলটিতে এখনও হাত বাড়ালেই মিলে ইয়াবা।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, সূত্র জানায়, শীর্ষ ইয়াবা গডফাদার শাহ’জাহান আনছারী কারাগারে থাকলেও তার সিন্ডিকেট সদস্যরা ঠিকই ইয়াবার চালান মজুদ করে থাকে শহরের ইস’লামাবাদ এলাকায়।

জে’লে থাকলেও তার পরাম’র্শমতে প্রকাশ্যে থাকা তার সহোদর কাশেম আনছারী ও রশিদ আনছারী ইয়াবার বড় চালান আনা ও গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোসহ ইয়াবা বিক্রির ফান্ড পরিচালনা করছে বলে অ’ভিযোগ রয়েছে। একাধিক সূত্র মতে, ঢাকার ধনাঢ্য

ব্যবসায়ীর মেয়ে স্বর্ণা রশিদ (২২) প্রাইভেটে ব্রিটিশ কাউন্সিলে এ লেভেল এ অধ্যয়নরত একজন মেধাবী ছাত্রী ছিল। স্বর্ণা জানে না যে কক্সবাজারে ওই জামান হোটেলটি একজন ইয়াবা গডফাদারের হোটেল। ওই হোটেলে যে সহ’জে ইয়াবা মিলে তাও তিনি জানতেন না।

ইয়াবাই যে তার মৃ’ত্যু ডেকে আনবে তা জানলে মেধাবী ছাত্রী ওই হোটেলে উঠতেন না। বর্তমানে হোটেল মালিক শাহ’জাহান আনছারীর পক্ষে কারাগারের বাইরে থাকা দুই সহোদর কাশেম আনছারী ও রশিদ আনছারী ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে তারা। ডাক্তার ও পু’লিশসহ বিভিন্ন স্থানে তদবির চালিয়ে যাচ্ছে। টাকার জো’রে ইয়াবা সিন্ডিকেট সদস্যরা নি’হত ছাত্রী স্বর্ণা রশিদ ইয়াবা সেবনে নয়, বন্ধুদের ধ’র্ষণে মা’রা গেছে বলে প্রচার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে ১০-১২ জনের একটি দল কক্সবাজারে বেড়াতে এসে শুক্রবার সকালে হোটেল জামানে ওঠেন। দিনভর সৈকতে ঘোরাফেরার পর শুক্রবার সন্ধ্যার পর ওই হোটেল কক্ষে অ’তিরিক্ত ইয়াবা সেবনে মা’রা যান মেধাবী ছাত্রী স্বর্ণা।doinikastha